Probahoman

Probahoman Bangla

সলাত আদায়ের সঠিক পদ্ধতি

Share this
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নারী ও পুরুষ উভয়ের সলাত আদায়ের সঠিক পদ্ধতি-

সালাত

 

নারী ও পুরুষ উভয়ের সলাত আদায়ের পদ্ধতি

সহীহ সুন্নাহর আলোকে নামাজ পড়ার পদ্ধতি 

মহানবী  সাঃ যেভাবে নামাজ  পড়তেন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

সকল প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার

১- সলাতে দাড়িয়ে অন্তরে নিয়ত করতে হবে কিন্তু মুখে পড়তে হবে না।(কোন ব্যক্তি সলাত আদায় করবে বলেই সে সলাতে দাড়িয়েছে, এটাই তার নিয়ত। সে যদি সলাতের নিয়ত না করতো তবে সে অযুও করতো না এবং সলাতেও দাঁড়াতো না। আর সবচেয়ে বড় কথা মুখে নিয়ত করার কোন প্রমাণ নেই সুতরাং এ কাজ বিদয়াত)।(বুখারী 793, 803)

২- নবী সাঃ বলেছেন ক্বিবলা কে সামনে করো এবং তাকবীর বলো । সালাতে অবশ্যই কেবলা মুখি হতে হবে (বুখারী 391, 392, 399, 401)।

কেউ যদি ভুলবশত অন্য দিকে মুখ করে নামাজ পড়ে তাহলে তার স্মরণ হওয়ার সাথে সাথেই কেবলার দিকে মুখ করে নিতে হবে (বুখারী 403, 4490, 4491, 4493, 4494)

৩- স্থির সোজা স্বাভাবিকভাবে সালাতে দাঁড়াতে হবে অহেতুক নড়াচড়া যাবে না। এতে সালাতের গুন কমে যেতে পারে, বাতিল ও হতে পারে। বিনয়ের সাথে সালাত আদায় করতে হবে । মহানবী সাঃ বলেছেন ধীর-স্থিরভাবে সালাত আদায় করো নড়াচড়া করো না (মুসলিম -843, 854. বুখারী -637, 638, 741)।
স্বাভাবিকভাবে একজন ব্যক্তির উচ্চতা অনুযায়ী কতটুকু ফাঁকা রাখা দরকার ততটুকুই রাখবে। দুই পায়ের মাঝে অতিরিক্ত ফাঁকা রাখা অথবা চার আঙ্গুল ফাঁকা রাখা এগুলো বাড়াবাড়ি।

৪- তাকবীরে তাহরীমা অর্থাৎ আল্লাহু আকবার বলে সালাত শুরু করতে হবে। আল্লাহ আকবর বলার সময় হাত কাধ বরাবর বা কাঁন কান পর্যন্ত অথবা কানের লতি বরাবর হাত তুলতে হবে(তবে কাঁন বা কাঁনের লতি স্পর্শ করতে হবে না) ।( বুখারী- 735, 736, 737, 738 . মুসলিম -747, 748, 749, 750, 751. তিরমিজি- 255)। কানের উপরে উঠানো বিশুদ্ধ হাদিস নয় বাড়াবাড়ি।
হাত তোলার সময় হাতের আঙ্গুলগুলো ফাক করে উপরে তোলা (আবু দাউদ- 335 তিরমিজি -240)

৫- বুকের উপর ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরা অথবা ডান হাতের উপর বাম হাত রাখা। বুকের উপর থেকে নাভির উপর পর্যন্ত যেকোনো স্থানে হাত বাধা বা রাখা যায়। ডান হাতের কব্জি বাম হাতের কব্জির উপর রাখা যায়। (তিরমিজি- 252. ইবনে মাজা- 809. বুখারী -740. আবু দাউদ -759)

৬- সানা পড়তে হবে বুখারী ও মুসলিম এর সানা বেশি বিশুদ্ধ ‏
সানা-১
اللَّهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَاىَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ، اللَّهُمَّ نَقِّنِي مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ، اللَّهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَاىَ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ ‏ বুখারী 744 মুসলিম

– “হে আল্লাহ্‌! আমার এবং আমার গুনাহের মধ্যে এমন ব্যবধান করে দাও যেমন ব্যবধান করেছ পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ্‌ আমাকে আমার গুনাহ হতে এমনভাবে পবিত্র কর যেমন সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়। হে আল্লাহ্‌ আমার গোনাহকে বরফ, পানি ও শিশির দ্বারা ধৌত করে দাও।”
সানা-২
“‏ سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالَى جَدُّكَ وَلاَ إِلَهَ غَيْرُكَ ‏”‏ ‏
“সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তা‘আলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গায়রুকা।” (আবু দাউদ -775, 776. তিরমিজি- 242, 243)

৭- আউযুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ পড়তে হবে (তিরমিজি -242. মুসলিম -776)
সূরা ফাতিহা পাঠ করতে হবে। না পড়লে নামাজ হবে না।একাকী বা ইমামের পিছনে, সর্বোবস্থায় সবাইকে সূরা ফাতিহা পড়তে হবে।ইমামের পিছনে থাকলেও মুক্তা দিকে চুপে চুপে মনে মনে পড়ে নিতে হবে (বুখারী -756. মুসলিম -764, 767. তিরমিজি -311)

৮- সলাতে সূরা ফাতিহা শেষে ইমামের সাথে জোরে আমীন বলতে হবে এবং নিরবে কিরাতের সলাতে সূরা ফাতিহা শেষে নিরবে আমীন বলতে হবে।(আবু দাউদ -936 মুসলিম -803, 801, 804, 806. বুখারী -780)

৯- সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা বা আয়াতাংশ পড়তে হবে (বুখারী -759, 761, 765, 768. মুসলিম -768, 769, 770)

১০- রুকু করার আগে রফউল ইয়াদাইন করতে হবে(২হাতকে প্রথম তাকবীরে তাহরীমায় উঠানোর মতো কাধ বরাবর বা কাঁন বরাবর উঠাতে হবে) নবী করীম সাঃ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এটি করেছেন। রফউল ইয়াদাইন করা উত্তম এটি করলে সওয়াব পাওয়া যাবে না করলে সব থেকে বঞ্চিত হবে। (বুখারী -735, 736,737, 738. মুসলিম -747, 748, 749, 750, 751,755. তিরমিজি -304. আনসারী- 1182. আবু দাউদ -721,722, 723)

১১- তারপর রুকুতে যেতে হবে। রুকু করার সময় পিঠ একেবারে সোজা করতে হবে। মাথা ও পিঠ সমান্তরাল রাখতে হবে রুকুর সময় দুই হাত দিয়ে উভয় হাঁটুতে ভর দিতে হবে।(বুখারী -789, 791, 793 আবু দাউদ -855)

১২- রুকুতে তাজবিহ পাঠ করতে হবে –

 • সুবহানা রব্বিয়াল ‘আযীম

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ

(সুনানে আবু দাউদ- ৮৭১)

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূ‘ ও সিজদায় এ দু‘আ পড়তেন-  ‘سُبحاَنَكَ اللَّهُمَّ رَبّاَناَ وَبِحَمدِكَ اللَهُمَّ إِغفِرليِ’ “হে আমাদের রব আল্লাহ্‌! আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি এবং আপনার প্রশংসা করছি। হে আল্লাহ্‌! আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন”।

১৩- রুকু থেকে মাথা উঠানোর সময়ের দোয়া সামিআল্লাহু লিমান হামিদা রব্বানা ওয়া লাকাল হামদ হামদান কাসিরান তৈয়িবান মোবারকন ফীহ। سَمِعَ اللهُ لِمَن حَمِدَه’ ‘رَبَّناَ وَلَكَ الحَمدُ حَمداً كَثيراً طَيِّباً مُبارَكاً فيِهِ’
(বুখারী -733, 732, 734, 795, 796,805, 821, 820, 819, 799)

১৪- রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে সামিআল্লাহু লিমান হামিদা বলার পর রফউল ইয়াদাইন করতেন হবে। রফউল ইয়াদাইন কাঁধ পর্যন্ত হাত উঠানো।এটি করা উত্তম এটা করলে সওয়াব পাওয়া যায় না করলে সব থেকে বঞ্চিত হবে (বুখারী -735, 736, 737, 738. মুসলিম -747, 748, 749, 750, 751,755. তিরমিজি -304. আনসারী-1182. আবু দাউদ -721,722, 723)। এবং ধীর-স্থিরতার সাথে অবশ্যই সোজা হয়ে দাড়াতে হবে নইলে সলাত হবে না।(বুখারী -735, 800)

১৫- আল্লাহু আকবার বলে সিজদায় যাবে সেজদায় যাওয়ার সময় আগে ২ হাত মাটিতে রাখতে হবে, অবশ্য হাঁটু আগে রাখলেও চলে।(আবু দাউদ- 840. ইবনে খুযাইমা -1/ 76 /1)

১৬- সিজদার সময় সাতটি অঙ্গ দ্বারা সিজদা করতে হবে কপাল, দুই হাত, দুই হাটু, দুই পা। সেজদার সময় চুল বা কাপড় সরানো যাবে না (বুখারী -809, 810)। সিজদাতে কপালের সাথে নাক ও মাটিতে লাগতে হবে (আবু দাউদ -840. বুখারী- 812)

• সিজদার সময় পায়ের গোড়ালি ঊর্ধ্বমুখী থাকবে পায়ের আংগুল মাটিতে লাগানো থাকবে এবং উভয় পায়ের আঙ্গুল কিবলামুখী থাকবে (বুখারী 10 /130)

• সিজদায় দুই বাহু বগল বা শরীর হতে আলাদা রাখতে হবে (বুখারী -390, 807 তিরমিজি -304. মুসলিম- 992, 993, 995, 996)

• দুই হাতের মাঝে সেজদা করতে হবে (মুসলিম- 782)। হাতের আঙ্গুলের মাঝখানে ফাঁকা থাকবে না। দুই হাতের তালু বরাবর বা কান বরাবর থাকবে। তালু মাটিতে রাখতে হবে এবং কনুই উঁচু রাখতে হবে( মুসলিম- 991)

• পেট উরু থেকে আলাদা থাকবে। হাতকে পেট ও পা থেকে এতটা দূরে রাখতে হবে যাতে পেটের নিচ দিয়ে একটা ছাগলের বাচ্চা যাওয়ার জায়গা থাকে (নাসাউ 1102 -মুসলিম- 994)

• বিশেষ করে নারীদের জন্য তোমাদের মধ্যে কেউ যেন দুই হাত বিছিয়ে না দেয় যেমন কুকুর বিছিয়ে দেয়। দুই বাহু কুকুরের মত মাটিতে বিছিয়ে দেওয়া যাবে না (বুখারী -822. মুসলিম- 989, 990, 997)

সেজদার তাসবিহঃ

সুবহানা রব্বিয়াল আলা’
سُبْحَانَ رَبِّيَ الأَعْلَى

• তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূ‘ ও সিজদায় এ দু‘আ পড়তেন- ‘سُبحاَنَكَ اللَّهُمَّ رَبّاَناَ وَبِحَمدِكَ اللَهُمَّ إِغفِرليِ’ “হে আমাদের রব আল্লাহ্‌! আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি এবং আপনার প্রশংসা করছি। হে আল্লাহ্‌! আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন”।

১৭- রুকু এবং সেজদা ধীর-স্থিরতার সাথে করতে হবে। কাঁকের মতো দ্রুত ঠোকর মারলে সলাত হবে না।( বুখারী -793, 791, 802, 801, 820, 821)

১৮-প্রথম সিজদার পর আল্লাহু আকবার বলে সিজদা থেকে উঠে পিঠ সোজা করে বসতে হবে। দুই সিজদার মাঝের দোয়া
• তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ সাজদাহ্ মাঝে এ দু‘আ পড়তেনঃ “আল্লাহুম্মাগফিরলী, ওয়ারহামনী, ওয়া ‘আফিনী, ওয়াহদিনী, ওয়ারযুক্বনী”।”‏ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَعَافِنِي وَاهْدِنِي وَارْزُقْنِي ‏”‏ ‏.
(সুনানে আবু দাউদ-850)
• (রব্বিগফিরলি রব্বিগফিরলি) বুখারী

১৯- সলাতের মধ্যে ১ বা ৩ রাকাতের সময় দ্বিতীয় সেজদা শেষে কিছুসময় বসতে হবে(আবু দাউদ- 843, 844, 842. বুখারী- 823)
তারপর ২ হাত জমিনের উপর ভর করে উঠতে হবে। (বুখারী -824)
প্রথম রাকাত থেকে আল্লাহু আকবার বলে দাঁড়িয়ে প্রথম রাকাতের মত দ্বিতীয় রাকাতে একইভাবে আদায় করবে

২০- দ্বিতীয় রাকাতে দুই সিজদার পর তাশাহুদ পড়তে হবে
التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ
আত্তাহিয়্যাতু লিল্লা-হি ওয়াস্ সলাওয়া-তু ওয়াত্ তইয়্যিবা-তু আসসালা-মু ‘আলাইকা আইয়ুহান্ নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্ল-হি ওয়াবারাকাতুহু আসসালা-মু ‘আলাইনা – ওয়া’আলা-ইবা-দিল্লা-হিস স-লিহীন’ আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়ারসুলুহু”
অর্থাৎযাবতীয় মান-মর্যাদা , প্রশংসা ও পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নাবী! আপনার উপর শান্তি, আল্লাহর রহমাত ও বরকত অবতীর্ণ হোক। আমাদের এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর শান্তি নেমে আসুক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নাই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রসূল। (মুসলিম -783, 788, 790. আবু দাউদ -968 বুখারী -830)

২১- সলাত যদি ২ রাকাতের বেশী হয় তবে ২য় রাকাতের বৈঠক শেষ করে উঠে আবার রফউল ইয়াদাইন করতে হবে।(বুখারী -739)

২২- দুই সিজদার মাঝে দুই পায়ের গোড়ালির উপর পাছা রেখে বসতে হবে (আবু দাউদ -845, 958, 959)

দুই রাকাতের বেশী সলাতের ক্ষেত্রে শেষ বৈঠকে তাওয়াররুক করতে হবে অর্থাৎ ডান পা খাড়া রেখে বাম পা কে ডান পায়ের ভিতরে ঢুকিয়ে নিতম্বের উপর বসতে হবে।(বুখারী -828. আবু দাউদ -963, 964, 965)

ডান পায়ের আঙুলে কিবলামুখী করতে হবে (আবু দাউদ -967)

বসার সময় বাম পা বিছিয়ে তার ওপর বসতে হবে এবং ডান পা খাড়া করে রাখতে হবে( মুসলিম- 997 আবু দাউদ -957)

ডান পা বিছিয়ে এবং উভয় পা একদিকে বের করে বসা যায়( আবু দাউদ ৯৬৫)

 

২৩- তাশাহুদের বৈঠকে সবসময় তর্জনী আঙ্গুল নাড়াতে হবে এবং চোখ তর্জনী আঙ্গুলের দিকে থাকবে।(মিশকাত- 913 নাসাঈ -1159,1160. মুসলিম-1196,1198. তিরমিযী 294, 3557)

২৪- পুরো সলাতের সময় চোখ সেজদার জায়গায় রাখতে হবে । (বাইহাকী, বুখারী 403)

২৫-শেষ বৈঠকে তাশাহুদ পড়তে হবে, দরুদ পড়তে হবে, এবং দোয়ায়ে মাসুরা পড়তে হবে, (বুখারী- 831,833, 834)
• তাশাহুদ

التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَ النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ
(আত্তাহিয়্যাতু লিল্লা-হি ওয়াস্ সলাওয়া-তু ওয়াত্ তইয়্যিবা-তু আসসালা-মু ‘আলাইকা আইয়ুহান্ নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্ল-হি ওয়াবারাকাতুহু আসসালা-মু ‘আলাইনা – ওয়া’আলা-ইবা-দিল্লা-হিস স-লিহীন’ অ আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়ারসুলুহু”)
অর্থাৎযাবতীয় মান-মর্যাদা , প্রশংসা ও পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নাবী! আপনার উপর শান্তি, আল্লাহর রহমাত ও বরকত অবতীর্ণ হোক। আমাদের এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর শান্তি নেমে আসুক। তখন আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নাই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রসূল।”
• দরুদ

“اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ ‏”‏‏.‏

(আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদুন ওয়ালা আলে মোহাম্মদ কামা সাল্লাইতা আলা ইব্রাহিম ওয়ালা আলে ইব্রাহিম ইন্নাকাহামি দুম্মাজিদ।আল্লাহুম্মা বারক আলা মুহাম্মাদুন ওয়ালা আলে মোহাম্মদ কামা বারক তাআলা ইব্রাহিম ওয়ালা আলে ইব্রাহিম ইন্নাকাহামি দুম্মাজিদ।)

“হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেরূপ আপনি ইবরাহীম (‘আঃ) এবং তাঁর বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত, অত্যন্ত মর্যাদার অধিকারী। হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বংশধরদের উপর তেমনি বরকত দান করুন যেমনি আপনি বরকত দান করেছেন ইবরাহীম (‘আঃ) এবং ইবরাহীম (‘আঃ)-এর বংশধরদের উপর। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত, অতি মর্যাদার অধিকারী।

সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৩৩৭০

• দোয়ায় মাসুরা

اللَّهُمَّ إِنّيِ ظَلَمتُ نَفسيِ ظُلماً كَثِراً وَّلاَ يَغفِرُ الذُّنوبَ إِلاَّ أَنتَ فاَغفِرليِ مَغفِرَةً مِن عِندِكَ وَارحَمنيِ إِنَّكَ أَنتَ الغَفورُ الرَحيمُ

“হে আল্লাহ! আমি নিজের উপর অধিক যুলম করেছি। আপনি ছাড়া সে অপরাধ ক্ষমা করার আর কেউ নেই। আপনার পক্ষ হতে আমাকে তা ক্ষমা করে দিন এবং আমার উপর রহমত বর্ষন করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল ও দয়াবান।”

২৬- সালাম দিয়ে সলাত শেষ হয়ে যাবে।(বুখারী 837, মুসলিম -997 তিরমিজি -295, 296
(আসসালামু আলাইকুম রহমাতুল্লাহ)

২৭- মহানবী সাঃ বলেছেন , তোমরা আমাকে যেভাবে সালাত আদায় করতে দেখো সেইভাবে সালাত আদায় করো। সলাতের পদ্ধতিতে নারী এবং পুরুষের কোন পার্থক্য নেই, সলাত আদায়ের পদ্ধতি উভয়ের জন্য একই রকম। (বুখারি -631)

২৭-উম্মে দারদা পুরুষের মত সালাত আদায় করতেন তিনি ছিলেন দিন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞানী (বুখারী ১০/১৪৫)                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                         


Share this
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *